>
প্রতিষ্ঠাঃ ২০১৩
কার্যালয়ঃ জাজিরা কোর্ট বিল্ডিং (শহীদ মিনার সংলগ্ন)
গোপালচন্দ্র ভট্টাচার্য সম্পর্কে : ১৮৯৫ সালের ০১ আগষ্ট প্রকৃতিবিজ্ঞানী গোপালচন্দ্র ভট্টাচার্যের জন্ম শরীয়তপুর জেলার লোনসিং গ্রামে এক দরিদ্র পরিবারে। পিতা অম্বিকাচরণ ভট্টাচার্য। অল্প বয়সে পিতৃবিয়োগ ঘটে এবং গোপালচন্দ্রকে যজমানি করে পড়ার খরচ চালাতে হয়। লোনসিং হাইস্কুল থেকে ১৯১৩ সালে মেট্রিক পরীক্ষায় স্বর্ণপদক পান। ময়মনসিংহের আনন্দমোহন কলেজে এফএ (বর্তমান উচ্চমাধ্যমিক) ক্লাসে ভর্তি হয়েছিলেন। কিন্তু অর্থাভাবে পড়াশোনা ছেড়ে নিজ গ্রামে ফিরেন এবং লোনসিং স্কুলে শিক্ষকতা (১৯১৫-১৯১৯) শুরু করেন। বাল্যকাল থেকেই কীটপতঙ্গ এবং এদের জীবনধারার প্রতি ছিল অদম্য কৌতুহল। সাহিত্যেও আগ্রহী ছিলেন, লিখেছেন ছড়া, কবিতা, পালাগান। গ্রামের এই ভূগোল শিক্ষক একদিন আবিস্কার করলেন ‘পচা গাছপালার আশ্চর্য আলো বিকীরণ করার ক্ষমতা’ এবং এ নিয়ে তাঁর প্রবন্ধ প্রকাশিত হলো মাসিক ‘প্রবাসী’ পত্রিকায়। লেখাটি পড়ে আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু তাঁকে ডেকে পাঠালেন বসু বিজ্ঞান মন্দিরে এবং আলাপে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে এই প্রতিষ্ঠানে রিসার্চ অ্যাসিসটেন্টের পদে নিয়োগ দিলেন (১৯২১)। সেখানে তিনি ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত কর্মরত ছিলেন।
পিঁপড়ে, মাকড়সা, চামচিকা, টিকটিকি, আরশোলা, কাঁকড়াবিছা, শুঁয়াপোকা, ব্যাঙাচি, প্রজাপতি ইত্যাদি প্রাণীর জীবনপ্রণালী ও স্বভাব-চরিত্র বিষয়ক তাঁর পর্যবেক্ষণ ও লিখিত নিবন্ধগুলি দেশ ও বিদেশে মৌলিক গবেষণা হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছে। বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানচর্চায় তাঁর অবদান অতুলনীয়। ‘বঙ্গীয় বিজ্ঞান পরিষদ’ প্রকাশিত ‘জ্ঞান ও বিজ্ঞান’ পত্রিকা সম্পাদনার পদেও যুক্ত ছিলেন।
প্রকাশিত গ্রন্থ : বাংলার মাকড়া (১৯৪১), বাঙলার কীটপতঙ্গ (১৯৭৫), বাংলার গাছপালা (১৯৮৬)।
তিনি আনন্দ পুরস্কার (১৯৬৮), রবীন্দ্র পুরস্কার (১৯৭৫) এবং অন্যান্য সম্মাননাও পেয়েছেন।
১৯৮১ সালে ৮ই এপ্রিল তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন।
পিঁপড়ে, মাকড়সা, চামচিকা, টিকটিকি, আরশোলা, কাঁকড়াবিছা, শুঁয়াপোকা, ব্যাঙাচি, প্রজাপতি ইত্যাদি প্রাণীর জীবনপ্রণালী ও স্বভাব-চরিত্র বিষয়ক তাঁর পর্যবেক্ষণ ও লিখিত নিবন্ধগুলি দেশ ও বিদেশে মৌলিক গবেষণা হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছে। বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানচর্চায় তাঁর অবদান অতুলনীয়। ‘বঙ্গীয় বিজ্ঞান পরিষদ’ প্রকাশিত ‘জ্ঞান ও বিজ্ঞান’ পত্রিকা সম্পাদনার পদেও যুক্ত ছিলেন।
প্রকাশিত গ্রন্থ : বাংলার মাকড়া (১৯৪১), বাঙলার কীটপতঙ্গ (১৯৭৫), বাংলার গাছপালা (১৯৮৬)।
তিনি আনন্দ পুরস্কার (১৯৬৮), রবীন্দ্র পুরস্কার (১৯৭৫) এবং অন্যান্য সম্মাননাও পেয়েছেন।
১৯৮১ সালে ৮ই এপ্রিল তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন।
জাজিরা গোপালচন্দ্র ভট্টাচার্য বিজ্ঞান ক্লাব সম্পর্কে :
“শৃঙ্খল মুক্তির আন্দোলনে বিজ্ঞান” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ২০১৩ সালের ২৯শে জানুয়ারি জাজিরা গোপালচন্দ্র ভট্টাচার্য বিজ্ঞান ক্লাবের যাত্রা শুরু হয়। বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত জাজিরা উপজেলার ছাত্র-ছাত্রীদের স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে এই ক্লাবটি পরিচালিত হয়ে আসছে। জাজিরা গোপালচন্দ্র ভট্টাচার্য বিজ্ঞান ক্লাবের উপদেষ্টা পরিষদের দায়িত্বে আছেন প্রতিষ্ঠাকালীন এবং প্রাক্তন সদস্যরা। শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া থানায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত প্রকৃতিবিজ্ঞানী গোপালচন্দ্র ভট্টাচার্যের নামানুসারে এই ক্লাবটির নামকরণ করা হয়েছে।
জাজিরা গোপালচন্দ্র ভট্টাচার্য বিজ্ঞান ক্লাবের লক্ষ্যঃ
১। জাজিরা উপজেলার শিক্ষার্থীদেরকে আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা সম্পর্কে ধারণা দেয়া।
২। যুক্তিনির্ভর ও বিজ্ঞানমনস্ক প্রজন্ম গড়ে তুলতে সাহায্য করা।
৩। বিজ্ঞানশিক্ষায় আগ্রহ বৃদ্ধি করা।
জাজিরা গোপালচন্দ্র ভট্টাচার্য বিজ্ঞান ক্লাবের কর্মসূচীঃ
১। বিষয়ভিত্তিক কর্মশালা আয়োজন করা।
২। অদম্য মেধাবীদের সাহায্য করা।
৩। সুবিধাবঞ্চিত এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের সাহায্য করা।
৪। গণিত উৎসব আয়োজনে সহযোগিতা করা।
৫। জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা।
৬। মোটিভেশনাল সেমিনার আয়োজন করা।
যোগাযোগ: জাজিরা গোপালচন্দ্র ভট্টাচার্য বিজ্ঞান ক্লাব অফিসিয়াল ফেসবুক গ্রুপ : gopalchandrascienceclub